• মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন

লকডাউনে দোকান খুলতে না পেরে চরম বিপাকে কলাপাড়ার লোহার কারিগররা।।

নয়নাভিরাম গাইন (নয়ন) কলাপাড়া প্রতিনিধি।। / ৪০১ Time View
Update : সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১

করোনা ভাইরাসের বিস্তর রোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনে ক্ষতির মুখে পরেছে কলাপড়া উপজেলার কর্মকার সম্প্রদায়ের লোহার কারিগররা।

আসছে কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে লোহার কারিগর দের নেই কোন কর্ম ব্যাস্ততা। শোনাযায়না লোহাপিটানোর ঠুনঠান শব্দ। বিগত বছর গুলোতে কুরবানির দুইসপ্তাহ আগথেকে কর্মমুখর হয়েউঠত কর্মকার পট্টি। এবারের চিত্র আলাদা নেই কোন ক্রেতার সমগম। কর্মকার পট্রির প্রায় সব দোকান বন্ধ রয়েছে। বরবিবার( ১১ ই জুলাই) বেলা ১১ টার সময় কলাপাড়া পৌর শহরের কর্মকার পট্রিতে এমন চিত্র দেখাগেছে। প্রতিবছর পশু কুরবানী করার জন্য রাত দিন চলত নতুন দা,বটি,ছুরি,চাপাতি তৈরী এবং পুরাতন ঘষামাজার কাজ। এবছর লকডাউনের কারনে সেই চিত্র চোখে পরছেনা সুনসান নিরবতা কামার পাড়ায়। লকডাউনে দোকান বন্ধ জেনে গৃহস্থরা কুরবানীর জন্য লোহার দা,বটি,ছুরি, চাপাতি,ধার দেয়ার জন্য নিয়ে আসছে না কেউ, বিক্রি নেই নতুনের। কুরবানিকে কেন্দ্র করে কর্মকারদের আয়োজনের কমতি ছিলনা। কিন্তু হঠাৎ লকডাউন ঘোষনা হওয়ায় বিপাকে পরেছেন তারা। কর্মবৈমুখ হয়ে পরেছেন লোহার কারিগররা কষ্টে দিন পারকরছেন অনেকে। লকডাউনে সরকারী সহায়তাও জুটেনি কারও কপালে। সারা বছর বিক্রি কম হলেও কুরবানিতে ভাল বিক্রির অপেক্ষায় থাকেন প্রত্যেকে।এই সময়ে তারা নতুন জিনিস বিক্রি এবং পুরাতন সারাই করে সারা বছরের ক্ষতি পুশিয়ে নেন। কিন্তু এবছরে নতুন বিক্রি তো দুরে থাক পুরাতন সারাই করারও সুযোগ পাচ্ছেন তারা। কলাপাড়ার লোহার মহাজনরা নতুন তৈরী জিনিসপত্র নিয়ে পরছেন বিপাকে। বিক্রি বন্দ থাকায় কারিগর দের বেতন দিতে পারছেন না অনেকে। ফলে বেতন ভুক্ত কারিগর দের সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।চলতে হচ্ছে ধারদেনাকরে এমন কস্টের কথা তুলে ধরেছেন অনেকে। মহাজনরা কুরবানির জন্য তৈরী জিনিসপত্র বিক্রি করতে না পারলে লোকসানে পড়তে হবে তাদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছরের জন্য। মহাজন ভাসারাম কর্মকার বলেন, বর্তমানের লকডাউনের কারনে এবছরের কুরবানির সিজন প্রায় শেষ এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবনা কিনা জানিনা । এসময় তিনি আরও বলেন এখনও যে সময় টুকু আছে তাতে লকডাউন সিথিল হলে ক্ষতি কিছুটা পোষাতে পারব বলে মনে করি। তবে লকডাউন যদি সিথিল না হয় তাহলে তাদের অন্তত এক সপ্তাহের জন্য দোকান খোলার সুযোগ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জোরালো আবেদন জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category