• সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের “সাধারন সম্পাদক” আহকামউল্লাহ’র বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্নসাতের অভিযোগ

Reporter Name / ৩২৬ Time View
Update : শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২২

নব আলো ডেস্ক : গত ২০ শে ফেব্রুয়ারি , ২০২২ ইং এ রাজধানীর বনানী থানায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারন সম্পাদক বিশিস্ট আবৃত্তিকার মো: আহকাম উল্লাহ এর বিরুদ্ধে ৪৬.০০ লক্ষ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । অভিযোগ নম্বর ৭৮১/২২ তারিখ ২২/০২/২০২২ ইং । বিষয়টি এসআই মো: ইয়াসিন হোসেনকে তদন্ত করে ব্যাবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ।

অভিযোগে পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, বিশিস্ট আবৃত্তিকার মো: আহকাম উল্লাহ ব্যাক্তিগত জীবনে একজন ঠিকাদার এবং হার্ব ইন্টারন্যাশনাল লি: এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক । পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ২০১৮-২০১৯ সনে লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার আসলপাডা নামক স্থানে আহকাম উল্লাহ তার অপর প্রতিষ্ঠান টিটিসিএল এক্সিম এর নামে ২৩.০০ কোটি টাকার কাজ নেন । উক্ত কাজ চলাকালে লক্ষীপুরের সামটেক এন্টারপ্রাইজের মালিক মিজানুর রহমানের কাছ থেকে বালু, পাথর নিয়ে কাজ শুরু করেন । কিন্তু সঠিকভাবে কাজ করতে না পারায় পানি উন্নয়ন বোর্ড উক্ত কাজ বাতিল করে দেয় । সেই সময় তার বকেয়া ছিল ২২.০০ লক্ষ টাকা

আহকাম উল্লাহ এবং তার অপর সহকর্মীবৃন্দ বিষয়টি গোপন রেখে খাগড়াছড়ির ধুমনীঘাট সেনাক্যাম্পের রাস্তার কাজে মিজানুর রহমানকে সংযুক্ত করেন এবং প্রয়োজনীয় যানবাহন তার মাধ্যমে ভাড়া নেন । কিন্তু কাজ শেষে ২৪.০০ লক্ষ টাকা বিল বকেয়া রেখেই চলে আসেন বলে অভিযোগ করা হয় ।

মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন যে, আমি নি: স্ব হয়ে গেছি । ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এলাকায় যেতে পারি না । খাগড়াছড়ির পাওনাদার আমার নামে মামলা করেছে । বিলের টাকা চাইতে গেলে তার অফিসের লোকেরা আমাকে আটকে রেখে টাকা চাইতে আসলে হত্যার হুমকি দিয়েছে । আহকাম উল্লাহ এবং তার প্রতিষ্ঠানের সকল সদস্য মিলে এ ধরনের প্রতারনা করে আসছে বলে জেনেছি । আমি ছাড়াও অনেকের কাছ থেকে তিনি মাল নিয়েছেন , কাজ করে বিল নিয়ে সটকে পড়েছেন । আমি নিজে বনানী থানায় গিয়ে অভিযোগ করেছি । কিন্তু এখনও আশানুরুপ কোন তৎপরতা দেখি নাই ।

উক্ত অভিযোগে মো: আহকাম উল্লাহ ছাড়াও যাদের নাম দেওয়া হয়েছে তারা হলেন – ১।তার ছোট ভাই আরকান উল্লাহ শ্যামল ২।সাজ্জাদ হোসেন মিঠু এবং ৩। মো: মিরাজ হোসেন ।
অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য ফোন দিলেও কেউ ফোন ধরেন নি । তবে অফিসে যোগাযোগ করলে জানা যায় যে, আহকাম উল্লাহ পরিবারের সাথে দেশের বাইরে আছেন । তার পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ীভাবে বসবাস করেন । অপর অভিযুক্ত মিরাজ হোসেন এ ধরনের অনেকের কাছেই টাকা পাওয়ার অভিযোগের কথা স্বীকার করেন এবং এ জন্যই তিনি আহকাম উল্লাহর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানর সাথে দীর্ঘদিন যাবত সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেছেন বলে জানান ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category