• বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন

শিবচরে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত সংখ্যা বেড়ে ২০

Reporter Name / ১১০ Time View
Update : রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৩

নবআলো ডেস্ক।।
মাদারীপুরের শিবচরে বাস দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার কুতুবপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মাদারীপুরের পুলিশের সুপার মো. মাসুদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ইমাদ পরিবহনের একটি বাস পদ্মাসেতুর আগে এক্সপ্রেসওয়ের শিবচরের কুতুবপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে পড়ে যায়। এসময় দুমড়ে-মুচড়ে যায় বাসটি। সকাল সোয়া ৮টা পর্যন্ত বাসের মধ্যে থেকে ১৪ জনের মতো যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া হাসপাতালে নেয়ার পথে আরও ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদিকে শিবচরের একটি হাসপাতালে আহত আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে।

ওদিকে মাদারীপুরের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়েছে। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন।

শিবচর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম মো. মোফাজ্জেল হক বলেন, দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জন নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ১৪ জন যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজন মারা যান।

ভোর ৫ টায় ইমাদ পরিবহনের গাড়িটি ঢাকার উদ্দেশ্যে খুলনা ত্যাগ করে। এসময় খুলনা রয়েল মোড় ও সোনাডাঙ্গা কাউন্টার থেকে মোট ৯ জন যাত্রী ছিল বলে কাউন্টারের দায়িত্বশীল এক কর্মী জানিয়েছেন।

এ‌দি‌কে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কুতুবপুর এলাকায় ঢাকাগামী ইমাদ পরিবহনের বাস দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ১২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

১৭ জনের মরদেহ শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘যারা আহত হয়ে আমাদের এখানে এসেছেন তাদের সবার অবস্থা অনেক গুরুতর। তাই এখানে তাদের ভর্তি রাখা সম্ভব হয়নি। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।‌‌‌’ এখানে যে ১৭টি মরদেহ আছে সেগুলোর হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে,’ তিনি যোগ করেন।

নিহতদের মধ্যে একজন সুইটি (২০)। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তার বাবার নাম মাসুদ মিয়া। সুইটির বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের পাঁচুরিয়া গ্রামে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত অন্যদের পরিচয় জানা যায়নি।

অন‌্যদি‌কে গুরুতর আহত ৯ জনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হ‌লে এর মধ্যে দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। বাকি সাতজন চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ঢামেকে আসার পর মারা যাওয়া দুজনের নাম-পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চিকিৎসাধীন সাতজন হলেন- ফয়সাল আহমেদ (৩৬), আব্দুল হামিম (৫০), বদরুদ্দোজা (৩০), পঙ্কজ কান্তিজ ঘোষ (৪০), ঝুমা (৩৪), বুলবুল (৫০), এনামুল (৪০)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category