• মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন

বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যান কতৃক সরকারি কর্মকর্তাকে পেটানোর ঘটনা ৫০হাজারে দফারফা

নবআলো ডেস্কঃ / ৩৮৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩

পটুয়াখালীর বাউফল ইউপি চেয়ারম্যান কতৃক উপজেলা কৃষি বিভাগের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আনছার উদ্দিনকে মারধর করার ঘটনা ৫০হাজার টাকায় দফারফা হয়ে গেছে। এরআগে কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে ওই কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। গতকাল সোমবার (০৪ডিসেম্বর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গণমাধ্যমের কাছে এমন অভিযোগ করেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আনসার উদ্দিন। তখন তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ২০২০ সালের একটি মামলা তুলে নেয়া জন্য কনকদিয়া ইউনিয়নের স্যার সলিমুল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজের সামনে রবিবার রাতে তাকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি লাথি মেরে এবং পিটিয়ে আহত করেন চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার।

এছাড়াও মারধরের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছিলেন ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার বলেছিলেন, আনসার বিএনপির লোক তাই আমাকে সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা আভিযোগ করেছন।
উপজেলা প্রশাসনের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন খান ও নাজিরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুকের মাধ্যমে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে চিকিৎসা খরচ বাবদ ৫০হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি দফারফা করেন। দফারফায় সিদ্ধান্ত হয় এবিষয়ে আনছার কোনো মামলা করবেন না।
দফারফার বিষয় জানতে চাইলে ভুক্তভোগী উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আনছার উদ্দিন বলেন, তারা আমাদের ডিডি মহোদয়কে ফোন দিয়েছিলেন। শুনেছি ডিডি মহোদয় ডিসি স্যার ও ইউএনও স্যারকে বিষয়টা সমাধান করা দায়িত্ব দিয়েছেন। তারা বিষয়টা সমাধান করছেন। আমিতো ডিপার্টমেন্টে চাকরি করি, একা মামলা করে তার কিছুই করতে পারবো না। ৫০হাজার টাকার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিও শুনেছি, আমাকে ইউএনও স্যার ফোন দিয়ে বলেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বশির গাজী বলেন, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টা নিয়ে মামলা করতে চেয়েছে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তা নিজেই মামলা করতে আগ্রহী না। মামলা করতে তার বিভাগীয় ডিডির অনুমতি নিতে হবে, এসব নানা কারণে তিনি মামলা করেনি। তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার তাকে মারধরের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। টাকার বিনিময়ে দফারফার বিষয় আমার জানা নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category